• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ সময়ের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার / ২৩৫ Time View
Update : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর একটি খাত হচ্ছে ‘সরকারি সেবা’। অথচ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সিটিজেন পারসেপশন সার্ভের (সিপিএস) সাম্প্রতিক তথ্য আমাদের বিস্মিত করেছে। জানা গেছে, গত এক বছরে যারা সরকারি সেবা গ্রহণ করেছে, তাদের প্রায় ৩২ শতাংশ ঘুস বা দুর্নীতির শিকার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি তিনজন নাগরিকের একজনকে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুস দিতে হয়েছে অথবা দুর্নীতির ফাঁদে পড়তে হয়েছে।

গত এক বছরে বিআরটিএতে সেবা নিতে যাওয়া নাগরিকদের ৬৩.২৯ শতাংশ ঘুস-দুর্নীতির শিকার হয়। এই হার আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় ৬১.৯৪ শতাংশ, পাসপোর্ট অফিসে ৫৭.৪৫ শতাংশ ও ভূমি নিবন্ধন অফিসে ৫৪.৯২ শতাংশ।

দুর্নীতি একটি রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সুশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। একজন নাগরিককে যখন তার প্রাপ্য সেবা পেতে গিয়ে ঘুস দিতে বাধ্য হতে হয়, রাষ্ট্রের প্রতি তার আস্থা কমে যায়। তাই দুর্নীতি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা এবং দীর্ঘদিনের অবহেলার ফসল।

এর আগে আওয়ামী সরকার বারবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর কথা বললেও বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। সরকারি হাসপাতাল, ভূমি অফিস, পুলিশ প্রশাসন কিংবা শিক্ষা খাত, সব ক্ষেত্র দুর্নীতির এক অদৃশ্য ঘেরাটোপে বন্দি থেকেছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিও এর পরিবর্তন করতে পারেনি। তাই এ থেকে বেরিয়ে আসতে চাই বাস্তবসম্মত ও কঠোর পদক্ষেপ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করতে হবে। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সেবা প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করতে হবে, যাতে দালাল ও দুর্নীতিবাজরা কোনো সুযোগ না পায়। তৃতীয়ত, দুর্নীতির বিরুদ্ধে নাগরিক সচেতনতা এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category