বন অধিদফতরের দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক। অভিযোগের তীর প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। শুধু ‘সুফল’ প্রকল্প নয়, বন অধিদফতরের সব খাতের দুর্নীতির অনুসন্ধান করা হচ্ছে বলে জানান সংস্থাটির মুখপাত্র।
২০১৮ সালে ‘টেকসই বন ও জীবিকা’ শীর্ষক ‘সুফল’ প্রকল্প গ্রহণ করে বন অধিদফতর। দেড় হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পটি বন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। দুদকের অভিযোগ- প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ের সর্বত্রই ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুদক অভিযান চালিয়ে কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পায়। এতে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসে।সংস্থাটি বলছে, সুফল প্রকল্পের দুর্নীতির সকল নথিপত্র সংগ্রহ করেছে অনুসন্ধানকারী দল। যাচাই-বাছাই শেষে তারা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এরই মধ্যে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।সংস্থাটি বলছে, সুফল প্রকল্পের দুর্নীতির সকল নথিপত্র সংগ্রহ করেছে অনুসন্ধানকারী দল। যাচাই-বাছাই শেষে তারা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এরই মধ্যে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।এদিকে, ঘুষের বিনিময়ে এক দিনেই ৭৭ জন কর্মচারীকে বদলিসহ দুর্নীতির নানা অভিযোগে বরিশাল অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিমের অবৈধ সম্পদের খোঁজ করছে সংস্থাটি।