• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত

স্টাফ রিপোর্টার / ৮ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত ২২ জুলাই বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

একই সঙ্গে তার মাধ্যমে বেহাত হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারের জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার। 

বরখাস্তের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে করা বিভাগীয় মামলার তদন্তে দেখা গেছে, অভিযুক্ত হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের সরকারি খাস জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থে জলাঞ্জলি দিয়েছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন।আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি সৃষ্টি না হওয়া সত্ত্বেও অভিযুক্ত ওই পদবি ব্যবহার করে প্রায় ২৫৮ দশমিক ২৬ একর সরকারি জমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দিয়েছেন। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ২২২ একর খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় সৃষ্টি করে অবমুক্ত করার অভিযোগও প্রমাণিত হয়।

রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ও দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগও ধরা পড়ে তদন্তে।

তদন্তে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উঠে আসে, অভিযুক্তের অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তি মালিকানায় অবমুক্ত করে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ মনে করে, এ ধরনের কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা সমীচীন নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে বেহাতকৃত সরকারি সম্পত্তি জরুরি ভিত্তিতে সরকারের আয়ত্তে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category