• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

দুই কোটি টাকা অবৈধ সম্পদের মালিক চট্টগ্রাম সাব রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মাহফুজ

ফারহান আব্দুল্লাহ / ১৫৪ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলার আসামি, তবু চাকরিতে দিব্যি সাব-রেজিস্ট্রি কর্মচারী

চট্টগ্রামের সাব-রেজিস্ট্রি দপ্তরের এক তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা রয়েছে। সেই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হয়েও বছরের পর বছর সরকারি দপ্তরে বহাল তবিয়তে চাকরি করে যাচ্ছেন তিনি। মাহফুজুর রহমান নামের ওই কর্মচারী বর্তমানে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিজের স্ত্রীর নামে কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী দিলুয়ারা মাহফুজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২–এর উপসহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী। মামলায় মাহফুজুর রহমানের স্ত্রী দিলুয়ারা মাহফুজকে প্রধান আসামি করা হয়। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মাহফুজ দম্পতির এক কোটি ৭ লাখ ২ হাজার ৭৪৬ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন তারা। এ অভিযোগে দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী দিলুয়ারা মাহফুজের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলা হওয়ার সময় মাহফুজুর রহমান চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে দুদকের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হওয়ার পরও আদালত থেকে জামিন না নিয়ে তিনি বদলি হয়ে একই জেলার চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়ীয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি সেখানে কর্মরত রয়েছেন।

মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক চট্টগ্রাম-২–এর উপসহকারী পরিচালক রাজু আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মাত্র এক সপ্তাহ হলো তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলে যোগ দিয়েছেন। মামলার সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে পরে জানাবেন। তবে তিনি বলেন, ‘মামলার এফআইআর আদালতে জমা হলেই আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়।’

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category