• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সচিব হতে ৩৩ কোটি টাকার চুক্তি হতে পারলে সুদ দিবেন ৮৬ কোটি টাকা ৬ তলা বাড়ি সহ ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল কবির সনদ জালিয়াতি থেকে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তবুও বহাল তবিয়তে মালা খান! দুর্নীতির অভিযোগে বদলি কর্মকর্তার পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, নিজেও ‘একই অপরাধ’ করার দাবি খাদ্য কর্মকর্তার দুর্নীতি রুখতে নয়া ভাবনা, জি–রামজি প্রকল্পে ফেস রেকগনিশন স্থানীয় সরকারে ১৭ বছরের দুর্নীতির অনুসন্ধানে ৭ সদস্যের কমিটি টেন্ডার না পেয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে মিলছে ভিন্ন চিত্র বিপিসি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ও তার স্ত্রীর শত কোটি টাকার সম্পদ, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি খুঁজতে সাত সদস্যের কমিটি এলজিইডিতে ‘৬ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি’: পিরোজপুরে বন্ধ উন্নয়নকাজ শুরু হবে ঈদের পর

৬ তলা বাড়ি ও ৪ ফ্ল্যাটের মালিক সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স সুপার ভাইসার বুলবুল

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫২ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

ঘুষ-দুর্নীতিতে সম্পদের পাহাড়: ডিএনসিসির সাবেক সুপারভাইজার বুলবুল আহমেদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) লাইসেন্স শাখার সাবেক সুপারভাইজার বুলবুল আহমেদের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাকরিকালীন সময়ে লাইসেন্স সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন বুলবুল আহমেদ। অভিযোগ রয়েছে, তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগীর মাধ্যমে এখনও সেই প্রভাব বজায় রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর মিরপুরের টোলারবাগ এলাকায়  বুলবুল আহমেদের একটি বহুতল ভবন রয়েছে। এছাড়াও একই এলাকায় তার নামে আরও কয়েকটি ফ্ল্যাট ও সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার দৃশ্যমান আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভূমি ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন এবং প্রভাব ব্যবহার করে অবৈধভাবে সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়েছেন।
প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকরা তার বাসায় গেলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ সময় ক্যামেরা বন্ধ রাখার অনুরোধও করা হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত বুলবুল আহমেদের সরাসরি কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category