প্রথম তদন্তটি ঘিরে রয়েছে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার একটি ম্যাচ। ওই ম্যাচে কানাডা আগে ব্যাট করে ১৭৩ রান করলেও নিউজিল্যান্ড সহজেই জয় তুলে নেয়। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের একটি নির্দিষ্ট ওভার নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, যেখানে অস্বাভাবিক কিছু ডেলিভারি তদন্তের আওতায় এসেছে।
দ্বিতীয় তদন্তটি শুরু হয়েছে কানাডা দলের সাবেক কোচ খুররম চৌহানের একটি অডিও ফাঁসের পর। সেখানে অভিযোগ করা হয়, বোর্ডের কিছু প্রভাবশালী সদস্য নির্দিষ্ট খেলোয়াড়দের দলে নেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। এমনকি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে, যদিও এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এই অভিযোগগুলো সামনে আসে কানাডার অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ফিফথ এস্টেট’-এর একটি প্রামাণ্যচিত্রে, যা দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনে প্রচারিত হয়। সেখানে প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা, আর্থিক অনিয়ম এবং খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বিলম্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
এদিকে, আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাদের নজরে থাকলেও তদন্ত চলমান থাকায় এখনই বিস্তারিত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। পুরো ঘটনা কানাডা ক্রিকেটের সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।