• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

দুর্নীতি দমনে ছুটতে হবে, ৭০ লাখি বিএমডব্লিউ গাড়ি চাই লোকপালের, রিপোর্ট ঘিরে শোরগোল

স্টাফ রিপোর্টার / ১৮৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত করাই তাদের কাজ। এদিক-ওদিক ছুটতে হয়। তাই গাড়ি চাই। কিন্তু সাধারণ গাড়ি হলে হবে না। চাই বিএমডব্লিউ। ৭০ লক্ষ টাকা দামের ৭টি বিএমডব্লিউ গাড়ির টেন্ডার ডেকেছে লোকপাল। সিএনএন-নিউজ১৮-এর একটি প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে দিল্লি জুড়ে।

সিএনএন-নিউজ১৮-এর দাবি, বিএমডব্লিউ ৩ সিরিজ়ের ৩৩০ লি মডেলের গাড়ি কেনার জন্য টেন্ডার জারি করেছে দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ লোকপাল। প্রতিটি গাড়ির অন-রোড দাম ৭০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ সাতটি গাড়ির বাজারমূল্য ৫ কোটি। এই গাড়িগুলিকে ৩০ দিনের মধ্যে দিল্লির বসন্ত কুঞ্জ ইনস্টিটিউশনাল এরিয়ার দপ্তরে পাঠিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে লোকপালের ৭জন সদস্য রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান। বাকি ছয়জন সাধারণ সদস্য। কাকতালীয় বিষয় হলো, ৭টি গাড়ির জন্যই টেন্ডার ডাকা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি প্রত্যেক সদস্যের জন্য একটি করে গাড়ি কেনা হচ্ছে? গাড়ির রং-ও বলে দেওয়া হয়েছে টেন্ডারে। সাতটি বিএমডব্লিউ-ই হতে হবে সাদা রঙের।

বিএমডব্লিউ-র ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ভারতের বাজারে এই বছরই লঞ্চ হয়েছে ৩ সিরিজ়ের লং হুইলবেস মডেল। এই সেগমেন্টের সবচেয়ে লম্বা গাড়ি এগুলো। একইসঙ্গে বিলাসবহুলও। পিছনে অনেকখানি জায়গা রয়েছে। বিএমডব্লিউ-র ওয়েবসাইটেও গাড়িগুলিতে রিয়ার সিটের বিলাসবহুল গাড়ি বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সাল থেকে লোকপাল নিয়ে আলোচনা চললেও একাধিক কারণে তা পিছিয়ে গিয়েছিল। সমাজকর্মী আন্না হাজারের আন্দোলনের পরে ২০১৩ সালে লোকপাল বিল পাশ হয়। সরকারি কর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করাই এর কাজ। লোকপালের চেয়ারম্যানের বেতন ও ভাতা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সমান। বাকি সদস্যরাও শীর্ষ আদালতের বিচারপতিদের সমান বেতন ও ভাতা পান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category