• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

পাপনের একযুগের ‘অন্তহীন’ দুর্নীতির জট খুলছে দুদক

স্টাফ রিপোর্টার / ৫৮ Time View
Update : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের দায়িত্বকালজুড়ে ওঠা ‘অন্তহীন’ দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান এখনও শেষ করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির দাবি, অভিযোগের ব্যাপকতা ও দীর্ঘ সময়ের আর্থিক কার্যক্রমের কারণে অনুসন্ধান শেষ করতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগছে।দুদক জানিয়েছে, প্রাথমিক কিছু নথি সংগ্রহ করা গেলেও অভিযোগগুলোর পূর্ণাঙ্গ চিত্র জানতে আরও বিস্তৃত তথ্য-উপাত্ত প্রয়োজন। এ কারণে সম্প্রতি তিনটি পৃথক চিঠির মাধ্যমে পাপনের দায়িত্বকালে বিসিবির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের নথিপত্র আবারও চাওয়া হয়েছে।

২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত টানা প্রায় ১২ বছর বিসিবির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। এই দীর্ঘ সময়ে ঢাকার পূর্বাচলে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়ম, কনসালট্যান্ট নিয়োগে জালিয়াতি, বিপিএল আয়োজন নিয়ে বিপুল লুটপাট এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

এর আগে বিসিবিতে অভিযানের পাশাপাশি তলব করা হয় ২৩ ধরণের নথিপত্র। তবে এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অনুসন্ধান এখনও শেষ হয়নি।

এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগগুলোর পরিধি বড় হওয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহে অতিরিক্ত সময় লাগছে।

গত বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের কাছে পাঠানো তিনটি পৃথক চিঠিতে পাপনের দায়িত্বকালের আর্থিক লেনদেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন প্রকল্পসংক্রান্ত নথি সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে, বিসিবির অনিয়মের অনুসন্ধানের পাশাপাশি নাজমুল হাসান পাপন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নিয়েও পৃথক তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে দুদক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category