• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

এক কোটি ক্যান্টিন দুর্নীতি সহ নানা অভিযোগ সংসদ ও প্রিয়দর্শিনীর বিরুদ্ধে, পাল্টা তদন্তের দাবি বালু কন্যার

স্টাফ রিপোর্টার / ৫০ Time View
Update : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

তন্ময় জানিয়েছেন, তিনি এবং আরও বেশ কয়েক জন চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তোলায় তাঁদের চাকরি যায়। তার পর একের পর এক নিয়োগ হয়েছে। তাঁরা অবশ্য কাজে ফিরতে পারেননি। নানা স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর। অভিযোগের তির বালু কন্যা সহ একাধিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। এ বারে পাল্টা তদন্তের দাবি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কন্যা প্রিয়দর্শিনীর।একের পর এক দুর্নীতি হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে— দরপত্র থেকে, চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ এমনকি ক্যান্টিনের খরচ নিয়েও অভিযোগ। এ বিষয়ে সংসদেরই কয়েকজন প্রাক্তন চুক্তিভিত্তিক কর্মী সম্প্রতি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মনের কাছে।

তন্ময় মাশ্চটক সহ বেশ কয়েকজন প্রাক্তন কর্মী সরাসরি চিঠি লিখে নানা দিকে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন মন্ত্রীর কাছে। তাঁর দাবি, বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতি হয়েছে, তাতে জড়িয়ে রয়েছেন বহু নেতা-মন্ত্রী। তন্ময়ের চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে সংসদের প্রাক্তন সচিব তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের নামও। যদিও পাল্টা তদন্তের দাবি তুলেছেন প্রিয়দর্শিনী। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার তদন্ত শুরু করুক।

তন্ময় জানিয়েছেন, তিনি এবং আরও বেশ কয়েক জন ২০০৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সংসদে কাজ করেছেন চুক্তির ভিত্তিতে। তার পর চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তোলায় তাঁদের চাকরি যায়। তার পর একের পর এক নিয়োগ হয়েছে। তাঁরা অবশ্য কাজে ফিরতে পারেননি। এ বিষয়ে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category