• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

দুর্নীতির অভিযোগে বদলি কর্মকর্তার পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, নিজেও ‘একই অপরাধ’ করার দাবি খাদ্য কর্মকর্তার

স্টাফ রিপোর্টার / ১৯৪ Time View
Update : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হওয়া নেত্রকোনার মদন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়ার পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টটি করেছেন মোহনগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হুমায়ুন খালিদ। সেখানে তিনি খাদ্য বিভাগের নানা অনিয়মের ইঙ্গিত দেওয়ার পাশাপাশি নিজেও একই ধরনের “অপরাধ” করেন বলে মন্তব্য করেছেন।
সম্প্রতি মদন উপজেলায় প্রশাসনের অভিযানে ২০ টন চাল জব্দ এবং পরে তদন্তে গুদামে অতিরিক্ত আরও প্রায় ৪৪ টন চাল পাওয়ার ঘটনায় মদন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়াকে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় বদলি করা হয়। একই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট গুদাম কর্মকর্তা মাহমুদুল আলমকেও অন্যত্র বদলি করা হয়।
এরপর গত শুক্রবার দুলাল মিয়ার পক্ষে ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন মোহনগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হুমায়ুন খালিদ। পরে সেটি সমালোচনার মুখে শনিবার ডিলেট করে দেওয়া হয়।
পোস্টে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, “গুদাম কর্মকর্তার বাইরে যারা গুদামকে শাসন করেন, তাদের বাইরে যেতে পারে বাংলাদেশে একজন কর্মকর্তাও নাই।” একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, “এরকম অপরাধ কে না করে, আমিও করছি। তাহলে আমাদের সবাইকে বদলি করেন।”
দুলাল মিয়ার বদলিকে ‘অন্যায্য’ উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, “বন্ধু তোমার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। তুমিও জানো, আমিও জানি—দুধে ধোয়া তুলসী পাতা আমাদের ডিপার্টমেন্টে কয়জন!”
একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে খাদ্য বিভাগসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই মনে করছেন, পোস্টটির মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ এবং দায় এড়ানোর সংস্কৃতির ইঙ্গিত উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহনগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হুমায়ুন খালিদ বলেন, “দুলাল খুবই ভালো ছেলে। ওই চালের ঘটনায় তার কোনো হাত নেই। অনেক সময় প্রকল্পের ডিও’র চাল জোর করেও গুদামে রেখে যায় সংশ্লিষ্টরা। মনের কষ্ট থেকেই ফেসবুকে লিখেছিলাম।”
অন্যদিকে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছেমুর রহমান বলেন, “কোনো কর্মকর্তাই অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে পারেন না। পোস্টটি আমার চোখে পড়েনি, দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category