• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ১১৮ Time View
Update : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

নাটোরের লালপুরের বরমহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করা হয়। রোববার সকালে উপজেলার এবি ইউনিয়নের বরমহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে শতাধিক অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ডাবলু আলী, সাদ্দাম হোসেন মনির, মিজানুর রহমানসহ অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ২০০ টাকা করে আদায় করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শ্রেণিতে ভর্তির সময় ১০০ থেকে ৩০০ টাকা নেওয়া হয়। তারা আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মবহির্ভূতভাবে সরকারি বই ও লোহা বিক্রি এবং বরাদ্দের অর্থ ও স্লিপের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিদ্যালয়ের একটি সরকারি ল্যাপটপ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

বক্তাদের দাবি, জাতীয় দিবসগুলোতে অনুপস্থিত থাকা এবং একটি নোটবুক কোম্পানির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট খাতা কিনতে বাধ্য করার ঘটনাও ঘটেছে। তারা বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চলছে। দ্রুত অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।’ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বক্তাদের দাবি, জাতীয় দিবসগুলোতে অনুপস্থিত থাকা এবং একটি নোটবুক কোম্পানির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট খাতা কিনতে বাধ্য করার ঘটনাও ঘটেছে। তারা বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম চলছে। দ্রুত অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।’ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category