• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
দুর্নীতির অভিযোগের পর ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ ১১ অক্টোবর দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও টিআইবিকে এক হয়ে কাজ করতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সরেজমিন পরিদর্শনের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক বিআরটিএর ইকুরিয়া কার্যালয়ে দুদকের অভিযান যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের সম্পদ নিয়ে এফবিআইয়ের প্রতিবেদন দুদকে এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা: আরও ৮ আসামি রিমান্ডে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে নয়জনের পদত্যাগ ডিএনসিসির ওয়াকিটকি ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকের অনুসন্ধান শুরু

সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের ৫০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

বিশেষ প্রতিনিধি / ৯০ Time View
Update : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

একজন সিনিয়র সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল সম্পদ অর্জন, বিলাসবহুল জীবনযাপন এবং দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ গড়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার সম্পদ ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরে এসব অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মো. মোস্তাফিজুর রহমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র সচিবের দপ্তরে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারি ওয়েবসাইটেও তার পদ ও দপ্তরসংক্রান্ত তথ্য রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থাকা একাধিক স্থাপনা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, যানবাহনসহ বিভিন্ন সম্পদের ছবি ও তথ্য তুলে ধরা হয়।
এসব সম্পদের মালিকানা, অর্থের উৎস এবং একজন সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্বের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে তার কথিত সম্পদের পরিমাণ ও জীবনযাপন নিয়েও নানা প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে।
বিশেষ করে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা বিভিন্ন ভবন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিলাসবহুল গাড়ির তথ্য সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকরিতে থেকে তিনি কীভাবে এত বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং এসব সম্পদ অর্জনের অর্থের উৎস কী—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে তার নামে-বেনামে কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, সম্পদ বিবরণীতে এসব সম্পদের তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কি না এবং আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠলে তার আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাব, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা এবং অর্থের উৎস যাচাই করা প্রয়োজন।
 এ বিষয়ে মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্যও জানা যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে সেটিও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category