• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
জমি, পাঁচতলা বাড়ি, স্ত্রীর নামে নগদ টাকাসহ যত অবৈধ সম্পদ ওয়াসার গাড়িচালক তাজুলের দুর্নীতির মামলায় সাবেক কর কর্মকর্তা শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড স্বাস্থ্য খাতকে দুর্নীতির মাধ্যমে ভেঙে দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য মোদি–আদানির সম্পর্ক আর দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র প্রকাশে আদালতের নিষেধাজ্ঞা দুর্নীতির মামলা: সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি এনবিআরের চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব ঘুস-দুর্নীতির অভিযোগে মোংলা কাস্টমস কর্মকর্তার অপসারণ দাবি স্ত্রী-শ্যালকসহ সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা প্রশ্নফাঁসের শাস্তি, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় বদলি!

১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকি, এনবিআরের ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দুদকের

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

নথি গায়েব করে ১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তিন কর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বৃহস্পতিবার কমিশনের সভায় এ মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়ে বলেন, শিগগির দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম মামলাটি করবেন।

এই মামলায় ঢাকা কর অঞ্চল-৫–এর কর কমিশনার আবু সাঈদ মো. মুস্তাক, অতিরিক্ত কর কমিশনার গোলাম কবির ও উপকর কমিশনার লিংকন রায়কে আসামি করা হবে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হতে পারে।

এর আগে গত ১০ জুলাই দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট ঢাকার কর অঞ্চল-৫, সার্কেল-৯০ (কোম্পানি)-এর অফিসে অভিযান চালায়। অভিযোগ ছিল, এক করদাতা প্রতিষ্ঠানের আয়কর নথি গায়েব করে সরকারের ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

অভিযানকালে দেখা যায়, ওই প্রতিষ্ঠানের ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ করবর্ষে নির্ধারিত আয়কর যথাক্রমে ৭২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ও ৭৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা—মোট ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। কিন্তু পরবর্তী সময়ে মামলাগুলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নিরীক্ষায় নির্বাচিত হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নথির ভিত্তিতে কর দাবি নির্ধারণ করেন যথাক্রমে শূন্য টাকা ও ১ হাজার ২৯৯ টাকা। দুদকের কাছে এটি অস্বাভাবিক ও উদ্দেশ্যমূলক মনে হয়।অভিযান চলাকালে ১৪৬ কোটি টাকার কম কর নির্ধারণী আদেশের মূল ফাইলগুলোও খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুদক মনে করছে, এগুলো উদ্দেশ্যমূলকভাবে গায়েব করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category