• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

ডিএনএ টেস্টে নির্দোষ প্রমাণিত ইমাম, ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আপন ভাই

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৬০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

ফেনী–র পরশুরাম উপজেলা–এ দায়ের হওয়া এক আলোচিত ধ’র্ষ’ণ মামলার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে নতুন ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষার ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মক্তব শিক্ষক ও ইমাম মোজাফফর আহমদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। বরং ভুক্তভোগী কিশোরীর সন্তানের জৈবিক পিতা হিসেবে তার বড় ভাই মোরশেদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়েছে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১৭ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে মোজাফফর আহমদকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে মোরশেদকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়।

মা’ম’লার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর কিশোরীর পরিবার মোজাফফর আহমদের বিরুদ্ধে ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ এনে মা’ম’লা দায়ের করে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলে এক মাস দুই দিন কারাগারে থাকতে হয়। এ ঘটনার পর তিনি স্থানীয় মসজিদের ইমামতির দায়িত্ব হারানোর পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ–এর চাকরিচ্যুত হন।

তদন্তের একপর্যায়ে সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষায় মোজাফফরের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী জানান, তার বড় ভাই মোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে তাকে যৌ’ন নি’র্যা’ত’ন করে আসছিলেন। পরিবারের সদস্যরা মূল ঘটনা আড়াল করতে মোজাফফর আহমদকে মামলায় জড়ান বলেও তিনি দাবি করেন।

পরে মোরশেদকে গ্রেপ্তার করে ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে শিশুটির সঙ্গে তার ৯৯.৯৯% মিল পাওয়া যায়। এতে তদন্ত কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন, শিশুটির জৈবিক পিতা মোরশেদ। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

মা’ম’লা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর মোজাফফর আহমদ বলেন, “সত্য একদিন প্রকাশ হবেই। মিথ্যা অভিযোগে আমি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছি, চাকরি হারিয়েছি এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। মা’ম’লার খরচ চালাতে জমিও বিক্রি করতে হয়েছে। আমি এই অন্যায়ের বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।”

তার আইনজীবী আবদুল আলীম মাকসুদ বলেন, শুরু থেকেই এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা ছিল। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর স্পষ্ট হয় যে, একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category