• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
জমি, পাঁচতলা বাড়ি, স্ত্রীর নামে নগদ টাকাসহ যত অবৈধ সম্পদ ওয়াসার গাড়িচালক তাজুলের দুর্নীতির মামলায় সাবেক কর কর্মকর্তা শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড স্বাস্থ্য খাতকে দুর্নীতির মাধ্যমে ভেঙে দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্য মোদি–আদানির সম্পর্ক আর দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র প্রকাশে আদালতের নিষেধাজ্ঞা দুর্নীতির মামলা: সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি এনবিআরের চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব ঘুস-দুর্নীতির অভিযোগে মোংলা কাস্টমস কর্মকর্তার অপসারণ দাবি স্ত্রী-শ্যালকসহ সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা প্রশ্নফাঁসের শাস্তি, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় বদলি!

পিরোজপুরে সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

স্টাফ রিপোর্টার / ৯৩ Time View
Update : বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫

পিরোজপুরের সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আবদুর রব ও তার স্ত্রী নাছরিন আক্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মামলাটি করেন দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন। একই দিন বিকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায় দুদক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাব-রেজিষ্ট্রারের স্ত্রী নাছরিন আক্তার ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল কমিশনের সরবরাহকৃত ফরমে উল্লেখিত সম্পদ বিবরণীতে ৬৬ লাখ ৫০ হাজার ৪০৪ টাকা সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। দুদকের দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে তার নামে দুই কোটি ৯৫ লাখ ৯১ হাজার ৯০ টাকা ৬০ পয়সা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।  বৈধ আয়ের চেয়ে দুই কোটি ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার ৭০২ টাকা বেশি সম্পদ রয়েছে তার।

এতে আরও বলা হয়, নাছরিন আক্তারের স্বামী আবদুর রব সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন এবং সেই অর্থ স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করেন। এছাড়া অর্থের উৎস ও মালিকানা গোপন করার লক্ষ্যে স্থানান্তর এবং রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংও করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আবদুর রব ২০০৯ সালে সাব-রেজিস্ট্রার পদে যোগদানের আগে একজন কলেজ শিক্ষক ছিলেন।  তার নামে সম্পদের পরিমাণ ছিল অল্প। কিন্তু চাকরিকালে তার ও স্ত্রীর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জিত হয়। নাছরিন আক্তারও শিক্ষকতা ও ব্যবসার দাবি করলেও ব্যবসার কোনো বৈধ উৎস বা প্রমাণপত্র তিনি দেখাতে পারেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category