• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির নথিপত্র সংগ্রহ দুদকের দুর্নীতির দায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সাহাবুদ্দিন সাবেক রাষ্ট্রপতির অতীত কার্যক্রম যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের সাহেদ কারাগারে এনবিআরে ৩ কমিশনারের পদে রদবদল, কাস্টমস গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক জিয়াউলের ভবনে সাদা সোনাসহ শত কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

চসিক সিইও তৌহিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক

মুরাদ হোসেন / ২৬২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v80), quality = 90?

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, সিইও পদে যোগদানের পর থেকেই শেখ তৌহিদুল ইসলাম বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তিনি আত্মীয়স্বজনদের চসিকে চাকরি দিয়েছেন, ঠিকাদারি কাজে কমিশন গ্রহণ করেছেন এবং ফাইল আটকিয়ে আর্থিক সুবিধা আদায় করেছেন। এসব অনৈতিক উপার্জনের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, স্ত্রী ও নিজ নামে রয়েছে একাধিক সম্পত্তি, যার মধ্যে রয়েছে বার্জ, ট্রলার, কার্গো জাহাজ, জমি ও বহুতল ভবন। চান্দগাঁও ও খুলশীতে রয়েছে জমি ও অ্যাপার্টমেন্ট। রয়েছে একাধিক দামি গাড়ি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও নগদ অর্থ। এমনকি গ্রামের বাড়িতে ভাইয়ের নামে প্রায় ২০ বিঘা জমি এবং আরও আত্মীয়স্বজনের নামে নামমাত্র দামে বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয়ের কথাও জানানো হয়েছে।

এই ব্যাপারে দুদক চট্টগ্রাম-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, “চসিকের সিইও তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে আমরা কাজ করছি। প্রধান কার্যালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনুসন্ধান চলছে, এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা যাবে না।”

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইও শেখ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “দুদকে যেহেতু অভিযোগ জমা হয়েছে, দলিলপত্রও রয়েছে, সেখানে আমার কিছু বলার নেই। তদন্ত করে দুদকই সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করবে।”

উল্লেখ্য, শেখ তৌহিদুল ইসলামের পিতা ছিলেন একজন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং তাদের পরিবার একসময় চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায় স্বল্প আয়ের অবস্থায় বসবাস করত—এ তথ্যও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিইও’র বিপুল সম্পদ অর্জন এবং অতীত জীবনযাত্রার বিস্তর ব্যবধান নিয়ে ইতিমধ্যেই চট্টগ্রামে নানা আলোচনা চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category