চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু বলেন, ‘দুর্নীতি ও রাজনীতি একসঙ্গে চলতে পারে না। তাই প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া নেতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির দলীয় প্রধান তারেক রহমানের কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রামের নেতারা। দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি গণমানুষের দল। দেশ ও জনগণের কথা চিন্তা করে বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
কেউ অনিয়ম-দুর্নীতি করলে ছাড় দেওয়া হবে না- এ বিষয়ে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী আগেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। অভিযোগের তির ওঠা নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ তারই প্রতিফলন। ’
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আপসহীন। যেসব নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বারবার তা প্রমাণ করছেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু বলেন, ‘দুর্নীতি ও রাজনীতি একসঙ্গে চলতে পারে না। তাই প্রধানমন্ত্রী চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া নেতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছেন।