• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সচিব হতে ৩৩ কোটি টাকার চুক্তি হতে পারলে সুদ দিবেন ৮৬ কোটি টাকা ৬ তলা বাড়ি সহ ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল কবির সনদ জালিয়াতি থেকে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তবুও বহাল তবিয়তে মালা খান! দুর্নীতির অভিযোগে বদলি কর্মকর্তার পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, নিজেও ‘একই অপরাধ’ করার দাবি খাদ্য কর্মকর্তার দুর্নীতি রুখতে নয়া ভাবনা, জি–রামজি প্রকল্পে ফেস রেকগনিশন স্থানীয় সরকারে ১৭ বছরের দুর্নীতির অনুসন্ধানে ৭ সদস্যের কমিটি টেন্ডার না পেয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে মিলছে ভিন্ন চিত্র বিপিসি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ও তার স্ত্রীর শত কোটি টাকার সম্পদ, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি খুঁজতে সাত সদস্যের কমিটি এলজিইডিতে ‘৬ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি’: পিরোজপুরে বন্ধ উন্নয়নকাজ শুরু হবে ঈদের পর

দুর্নীতির অভিযোগে সিরাজগঞ্জের সেই পিআইও সাময়িক বরখাস্ত

স্টাফ রিপোর্টার / ২৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলায় কারাগারে থাকা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা-পিআইও আবুল কালাম আজাদকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মন্ত্রণালয়।

৭ মে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও বিষয়টি গোপন ছিল।

বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল বাছেদ বলেন, “বিষয়টি আমরা আগেই মৌখিকভাবে জেনেছিলাম। কিন্তু অফিশিয়াল চিঠি আজই পেয়েছি।”

চিঠিতে বলা হয়েছে, দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকায় আবুল কালাম আজাদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হল। এ মামলার বিচারকাজ শেষ না পর্যন্ত তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। ৪ মে গ্রেপ্তারের দিন থেকে এই আদেশ কার্যকর হবে।

৩ মে রাতে পাবনার বাসা থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আবুল কালাম আজাদ ১৪ বছর ধরে শাহজাদপুর উপজেলায় পিআইও হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আবুল কালাম আজাদ পাবনার সুজানগর উপজেলার হাসামপুর গ্রামের শমসের আলীর ছেলে।

দুদক জানায়, ২০২৩ সালে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে ২০২৪ সালের ৮ মে আবুল কালাম আজাদ, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের কাছে সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়। তারা ৩ জুলাই সেই হিসাব দাখিল করেন।

২০২৫ সালের ১১ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেন।

মামলায় আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে এক কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের বিরুদ্ধে এক কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগ রয়েছে। ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধেও এক কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকার সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ ছাড়া, আবুল কালাম আজাদের শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের নামেও অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পায় দুদক। ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর তার কাছে সম্পদের বিবরণী চাওয়া হয়। পরে তিনি ৮ ডিসেম্বর সম্পদের হিসাব জমা দেন।

দুদকের অনুসন্ধানে তার ঘোষিত সম্পদের চেয়ে বেশি সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর আরেকটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় জামাল উদ্দিন ফকিরকে প্রধান আসামি এবং আবুল কালাম আজাদকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category