• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
পি কে হালদারের সহযোগী নওশেরুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দুর্নীতির মামলা বেড়েছে, সাজা কম বেবিচকের দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয়ের কোটি টাকার সম্পদের হিসাব তলব ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন সিভিল এভিয়েশনে শত কোটি টাকার দুর্নীতি দুদক কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে দায়মুক্তি উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতির মামলায় এস কে সুরের স্ত্রীর ২ বছরের কারাদণ্ড গাজীপুর জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত শুরু আসিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান: এনসিপি বলল দুদকের দলীয়করণ স্পষ্ট

দুদক ও ইসি সক্রিয় থাকলে ২০০৮ সালেই হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো: দুদক চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার / ২৬৭ Time View
Update : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার হলফনামায় সম্পদের তথ্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি ছিল বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুদকের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র‌্যাক)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, তৎকালীন দুর্নীতি দমন কমিশন ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) যদি সঠিকভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করত, তবে সে সময়ই তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল।
দুদক চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, ‘আপনাদের মনে করিয়ে দেই, ২০০৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় সম্পদের যে বিবরণী দিয়েছিলেন এবং বাস্তবে আমরা যে সম্পত্তি পেয়েছিলাম, তার মধ্যে বিস্তর ব্যবধান ছিল। সে সময় যদি দুদক এবং নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে সেই সময়ই তার এই প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটি করা হয়নি।’
আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামা নিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর হলফনামা সূক্ষ্মভাবে অনুসন্ধান করা কমিশনের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সহায়তা চেয়ে তিনি বলেন, “কোনো ব্যক্তির সম্পদ নিয়ে আপনারা যদি সন্ধিহান হন, তবে অনুগ্রহ করে তথ্যগুলো আমাদের দিন। আপনারা নিজেরাও তো অনুসন্ধানকারী। হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি এমন সম্পদের মালিককে আমরা আগামী দিনে শাসক হিসেবে চাই না।’
২০২৬ সালে একটি ন্যায়নিষ্ঠ রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে ড. মোমেন বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা সবার জন্য সুশাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। দুর্নীতি আমাদের একটি বড় সংকট। এই দুর্নীতি নিরসনে আমরা সবাই সজাগ থাকব। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে আমাদের পরবর্তী শাসকরা যেন অবশ্যই ন্যায়নিষ্ঠ হন।’
র‌্যাকের সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ, সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম এবং র‌্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category