জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, রাজস্ব আয় না বাড়লে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব নয়। তাই চলতি বছরের তুলনায় নতুন অর্থবছরে আয় যেকোনো মূল্যে দ্বিগুণ করা হবে। এজন্য ভ্যাট ও আয়করে কোনো ছাড়ের পরিকল্পনা নেই।জ্বালানি তেলের জন্য গত এক মাস ধরে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে লম্বা লাইন নিয়মিত দৃশ্য হয়ে উঠেছে। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহের ব্যাঘাতও বাংলাদেশে চাপ তৈরি করেছে। মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা এলপিজি কনভার্সনে ঝুঁকি নিচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে আসন্ন বাজেটে মোটরসাইকেলে এলপিজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক কর কাঠামো চেয়েছেন উৎপাদকরা। তবে আমদানি পর্যায়ে চাপ কমানোর জন্য যা নিষিদ্ধ করা উচিত বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় পেট্রোলিয়াম ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, ২৫ বছরের পুরোনো গাড়ি চলতে না দিলে ট্যাংক লরি পরিচালনা করা সম্ভব হবে না। তাই শূন্য শুল্কে চেসিস আমদানি করার সুযোগের দাবি তুলেছেন তারা। এনবিআর চেয়ারম্যান অবশ্য বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জনস্বার্থ রক্ষা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
আলোচনায় ইভি গাড়ি আমদানিকারক ও উৎপাদকরা সিসি এবং কিলোওয়াটের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন খরচ কমানোর প্রস্তাব দেন। বিপরীতে, ইভি গাড়ি ব্যবহার বাড়াতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার কথাও জানিয়েছেন এনবিআর।
এছাড়া, জেট ফুয়েলের দাম অত্যাধিক বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও কর কমানোর বিষয়ে চুরি রোধের কারণে কোনো উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা বর্তমানে নেই বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান।