সুইডেন থেকে বফর্স কামান কেনার নেপথ্যে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পরে ১৯৮৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। ক্ষমতায় বসেছিলেন ‘বফর্স কেলেঙ্কারি’র অভিযোগ তুলে শিরোনামে আসা বিশ্বনাথপ্রতাপ সিংহ। কিন্তু দীর্ঘ আইনি লড়াইয়েও সেই দুর্নীতি প্রমাণ হয়নি। নরেন্দ্র মোদীর জমানায় ২০১৮ সালে সিবিআই নতুন করে মামলা শুরুর আবেদন জানালেও সুপ্রিম কোর্ট পত্রপাঠ তা খারিজ করে দিয়েছিল।একই ভাবে ২০১৪ সালে মনমোহন সিংহকে ক্ষমতাচ্যুত করতে মোদী-সহ বিজেপি নেতৃত্বের অন্যতম অস্ত্র ছিল টুজি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারি। কিন্তু ২০১৭ সালে মামলা খারিজ করে বিশেষ সিবিআই আদালত জানিয়ে দেয়, স্পেকট্রাম বণ্টনে কোনও দুর্নীতি হয়নি! মনমোহন সরকারের স্পেকট্রাম বণ্টন নীতিতেও কোনও অনিয়ম ছিল না। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আন্দিমুথু রাজা, করুণানিধির কন্যা কানিমোঝি-সহ অভিযুক্ত ডিএমকে নেতা-নেত্রীদের বেকসুর খালাস দিয়েছিল আদালত।