• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সচিব হতে ৩৩ কোটি টাকার চুক্তি হতে পারলে সুদ দিবেন ৮৬ কোটি টাকা ৬ তলা বাড়ি সহ ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল কবির সনদ জালিয়াতি থেকে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তবুও বহাল তবিয়তে মালা খান! দুর্নীতির অভিযোগে বদলি কর্মকর্তার পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, নিজেও ‘একই অপরাধ’ করার দাবি খাদ্য কর্মকর্তার দুর্নীতি রুখতে নয়া ভাবনা, জি–রামজি প্রকল্পে ফেস রেকগনিশন স্থানীয় সরকারে ১৭ বছরের দুর্নীতির অনুসন্ধানে ৭ সদস্যের কমিটি টেন্ডার না পেয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে মিলছে ভিন্ন চিত্র বিপিসি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ও তার স্ত্রীর শত কোটি টাকার সম্পদ, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি খুঁজতে সাত সদস্যের কমিটি এলজিইডিতে ‘৬ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি’: পিরোজপুরে বন্ধ উন্নয়নকাজ শুরু হবে ঈদের পর

রাজসাক্ষী’ হিসেবে আরেক পুলিশ সদস্যের জবানবন্দি

স্টাফ রিপোর্টার / ১০৭ Time View
Update : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এবার অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ আবজালুল হক। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার আশুলিয়া থানায় কর্মরত ছিলেন। গণ-অভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় ছয়জনকে গুলি করে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সাবেক এসআই শেখ আবজালুল আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। এ নিয়ে দ্বিতীয় কোনো পুলিশ সদস্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ‘অ্যাপ্রুভার’ হলেন। এর আগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলায় ‘অ্যাপ্রুভার’ হন।

মামুনের সঙ্গে ওই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানও আসামি ছিলেন। মামলাটির রায় ঘোষণা হয় গত সোমবার। রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ড এবং মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো

আশুলিয়ায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি ১৬ জন। এর মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ, এএসআই বিশ্বজিৎ সাহাসহ আট আসামি পলাতক। গ্রেপ্তার হওয়া বাকি আসামিরা হলেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী ও মো.শহিদুল ইসলাম (সাভার সার্কেল); ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান ও শেখ আবজালুল হক এবং সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার।

এ মামলার ২৩তম সাক্ষী হিসেবে আজ জবানবন্দি দেন শেখ আবজালুল। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, ৫ আগস্ট (২০২৪ সাল) আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আশুলিয়া এলাকায় ছাত্র-জনতা বিজয় মিছিল বের করেন। সেই মিছিল থানার দিকে এলে তৎকালীন ওসি সায়েদের নির্দেশে বিশ্বজিৎসহ আরেকজন গুলি করেন।

জবানবন্দি শেষে আবজালুলকে জেরা করেন এ মামলার আসামি আবদুল্লাহিল কাফীর আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান। তাঁর প্রশ্নের জবাবে আবজালুল বলেন, গত বছরের ১৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার অস্ত্রাগারের দায়িত্বে থাকা এসআই আউয়ালের কাছে তিনি অস্ত্র ও গুলি জমা দেন। ৫ আগস্ট (২০২৪ সাল) তাঁর নামে ইস্যু করা ১০টি গুলিই জমা দেন।

জেরায় প্রশ্নের জবাবে আবজালুল বলেন, গত বছরের ৫ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ‘ট্রমায়’ ছিলেন। ১৫ আগস্ট অস্ত্র জমা দিতে এসে তিনি আশুলিয়া থানা এলোমেলো অবস্থায় দেখেনজবানবন্দি শেষে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিং করেন প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছেন আবজালুল। তবে আবজালুল আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর ঘটনা দেখেননি। লাশে আগুন দেওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। প্রসিকিউশন মনে করে, আবজালুল আশুলিয়ার ঘটনা সম্পর্কে পূর্ণ সত্য প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category