• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
দুর্নীতির মামলা: সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ জানুয়ারি এনবিআরের চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব ঘুস-দুর্নীতির অভিযোগে মোংলা কাস্টমস কর্মকর্তার অপসারণ দাবি স্ত্রী-শ্যালকসহ সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা প্রশ্নফাঁসের শাস্তি, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় বদলি! দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দল ছাড়লেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা দুর্নীতির অভিযোগে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা কাজ না করেই ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বিল প্রদান খুলনার শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পে দুর্নীতি: দুই ঠিকাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৭ বছরের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে প্রতিবেদন দুদকে ঘুস-দুর্নীতির অভিযোগে মোংলা কাস্টমস কর্মকর্তার অপসারণ দাবি

অডিট কাজে অসদাচরণের দায়ে তিন অডিটর সাময়িক বরখাস্ত, ১৯ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৭ Time View
Update : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

ইনস্টিটিউট অভ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে সংবিধিবদ্ধ (স্ট্যাটিউটরি) অডিট কাজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের মোট ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২৬ সালের ১৬ জুন অনুষ্ঠিত আইসিএবির কাউন্সিল সভায় এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়। আর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে গত ৬ জুলাই থেকে। নিরীক্ষা কাজে অসদাচরণের দায়ে তাদের এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

যারা বরখাস্ত হয়েছেন

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস প্রতিষ্ঠান এম আই চৌধুরী অ্যান্ড কোং-এর পার্টনার সলিম উল্লাহ বাহাদুরকে ১৮ মাসের জন্য সংবিধিবদ্ধ অডিট কাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মাহমুদ সবুজ অ্যান্ড কোং-এর পার্টনার মো. কামরুল হাসানকে ১২ মাসের জন্য বরখাস্ত ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে কে এম হাসান অ্যান্ড কোং-এর পার্টনার মো. ফরহাদ হোসাইন সুমন ১২ মাসের জন্য বরখাস্ত হয়েছেন এবং তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আইসিএবির নির্দেশ অনুযায়ী, তিন মাসের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে বরখাস্তের মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়বে। এরপরও যদি জরিমানা পরিশোধ না করা হয়, তবে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত বরখাস্তের এই আদেশ বহাল থাকবে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানির অডিটে এর প্রভাব

এম আই চৌধুরী অ্যান্ড কোং ও মাহমুদ সবুজ অ্যান্ড কোং তাদের স্ব-স্ব পার্টনারসহ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নিরীক্ষক প্যানেলে তালিকাভুক্ত রয়েছে।

কে এম হাসান অ্যান্ড কোং-ও বিএসইসি প্যানেলে তালিকাভুক্ত। তবে ফরহাদ হোসাইন সুমন ব্যক্তিগতভাবে এই প্যানেলভুক্ত নন।

আইসিএবির এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কারণে বরখাস্ত হওয়া পার্টনাররা তাদের বরখাস্তের সময়কালে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির সংবিধিবদ্ধ অডিট প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবেন না বলে টিবিএসকে জানিয়েছেন বিএসইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category