সোমবার (১৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামি কাজী নাবিল আহমেদ সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাতআয় বহির্ভূত ৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৪ টাকা অর্জন করেন। এ ছাড়া তার নিজ ও যৌথ নামে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যাংকের ৪৫টি হিসাবে মোট ১০৯ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ৯৮৯ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এসব অর্থ তিনি হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
কাজী নাবিল আহমেদ যশোর-৩ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিরও একজন সদস্য ছিলেন।








