অভিযোগে বলা হয়, নাছরিন আক্তারের স্বামী আবদুর রব সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন এবং সেই অর্থ স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করেন। এছাড়া অর্থের উৎস ও মালিকানা গোপন করার লক্ষ্যে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়েরও অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: পিকে হালদারের রেড নোটিশের মেয়াদ ৫ বছর বাড়াতে চিঠি দিচ্ছে দুদক
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আবদুর রব ২০০৯ সালে সাব-রেজিস্ট্রার পদে যোগদানের আগে একজন কলেজ শিক্ষক ছিলেন এবং তার নামে সম্পদের পরিমাণ ছিল অল্প। কিন্তু চাকরিকালে তার ও স্ত্রীর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জিত হয়। নাছরিন আক্তারও শিক্ষকতা ও ব্যবসার দাবি করলেও ব্যবসার কোনো বৈধ উৎস বা প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।
মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, তথ্য গোপন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানি লন্ডারিংয়ের পর্যাপ্ত প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।