• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
পি কে হালদারের সহযোগী নওশেরুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দুর্নীতির মামলা বেড়েছে, সাজা কম বেবিচকের দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয়ের কোটি টাকার সম্পদের হিসাব তলব ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন সিভিল এভিয়েশনে শত কোটি টাকার দুর্নীতি দুদক কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে দায়মুক্তি উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতির মামলায় এস কে সুরের স্ত্রীর ২ বছরের কারাদণ্ড গাজীপুর জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত শুরু আসিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান: এনসিপি বলল দুদকের দলীয়করণ স্পষ্ট

৩০ হাজার টাকা বেতনের অফিস সহকারী শহিদুল্লাহর ঢাকায় ৩ ফ্ল্যাট, ১০ কোটি টাকার সম্পদ

ফারহান / ৩৬৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ-এর অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

মাত্র ৩২ হাজার টাকা বেতনের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হয়েও বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ-এর বিরুদ্ধে। তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ-এ মাস্টার রোলের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত থাকলেও জমি, ফ্ল্যাট ও বিদেশ ভ্রমণসহ বিলাসবহুল জীবনযাপনের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে তিনি একাধিকবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। সরকারি কর্মচারীদের বিদেশ সফরের জন্য দাপ্তরিক অনুমতি বাধ্যতামূলক হলেও, গত ২০ আগস্ট হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে অফিস ত্যাগের পর সহকর্মী তাজুল ইসলাম-কে সঙ্গে নিয়ে নেপাল ভ্রমণে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া, তার নামে বরাদ্দকৃত সরকারি কোয়ার্টার অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে নিজে ১২২০ স্কয়ার ফুটের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন বলেও জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর রূপনগরের ৪০ নম্বর রোডে তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগম-এর নামে পার্কিং সুবিধাসহ একটি পুরো ফ্লোর কেনা হয়েছে। যদিও তিনি একজন গৃহিণী।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ-এর সরকারি কোয়ার্টার, ব্যক্তিগত ঠিকানা ও অফিসে গিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরাসরি যোগাযোগ এড়িয়ে চলেন এবং শুধুমাত্র সুফিয়া নামের এক সহকর্মীর মাধ্যমে দাপ্তরিক যোগাযোগ রক্ষা করেন।

এ বিষয়ে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগগুলো তাদের নজরে ছিল না। তবে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন-এর কাছেও পাঠানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার সম্পদের উৎস ও বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category