চালের দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে করপোরেট হাউজগুলোর কারসাজি। করপোরেট হাউজগুলো বিভিন্ন বড় বড় মোকাম থেকে শত শত টন চাল মজুত করছে। এ কারণে চট্টগ্রামে বেড়েই চলেছে চালের দাম। গরিবের মোটা চালের দামও কেজিপ্রতি ৬০ টাকার বেশি। নানা উদ্যোগের পরও চালের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। বরং পাইকারি ও খুচরা দুই বাজারেই হু হু করে বাড়ছে দাম। পাইকারি বাজারে গত এক সপ্তাহে ৫০ কেজির বস্তায় ২৫০-৩০০ টাকা বেড়েছে। খুচরায় বিভিন্ন ধরনের চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা বেড়েছে। পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়া এবং বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মজুতের কারণে দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের চালের আড়তদাররা।
এদিকে বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেট করে চালের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক সমাজ’। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মানববন্ধনে যৌথভাবে অংশ নেয় চট্টগ্রাম কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি), প্রাণ ও আইএসডিই বাংলাদেশ। তারা চালের দাম কমানোর দাবি জানান। পাশাপাশি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।