শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিগত সরকারগুলোর সময়ে এনটিআরসিএ দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই সেটা সঠিক করার চেষ্টা করছি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এনটিআরসিএ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা এনটিআরসিএ করেছিলাম, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ছিলো। আমরা সময়ে এটি করা হয়েছিলো। কারণ যেভাবে আমরা দেখেছি অযাচিতভাবে স্কুল-কলেজ মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো, নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে গিয়েছিলো। রাজনীতিবিদরা এখান থেকে পলিটিক্যাল সুবিধা নিতেন এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে নষ্ট করতেন, সেজন্য আমি নিজেই এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম।
এটিআরসিএ’র মাধ্যমে এখন প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা ও সুপারিশ করা হবে। শিক্ষকদের বদলিও এটিআরসিএ’র মাধ্যমে করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি নিয়ে তিনি বলেন, ম্যানেজমেন্ট কমিটি বিগত দিনের মতো হবে না।
শিক্ষায় বরাদ্দ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষায় ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ কখনো পাইনি। তার মধ্যে শুভঙ্করের ফাঁকি ছিলো। এর মধ্যে আইসিটির বরাদ্দ ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিলো। ক্রমান্বয়ে শিক্ষায় বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশ দেয়া হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষায় যত অনিয়ম আমি বন্ধ করবো। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চেয়ারে যিনি বসেন তার সদ্বিচ্ছায় সবকিছু হয়। প্রধানমন্ত্রী আমাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি বলতে চাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা, উপাসনালয়। এই মন্ত্রণালয়ের কাজের মাধ্যমে আমি সদকায়ে জারিয়া নিতে চাই।
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা শিক্ষকতা করেন এটা ভাগ্যের ব্যাপার। এই পৌরসভার অধীনে সব স্কুল কলেজ ও মাদরাসা সঠিকভাবে চলবে।