• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
পি কে হালদারের সহযোগী নওশেরুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দুর্নীতির মামলা বেড়েছে, সাজা কম বেবিচকের দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয়ের কোটি টাকার সম্পদের হিসাব তলব ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন সিভিল এভিয়েশনে শত কোটি টাকার দুর্নীতি দুদক কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে দায়মুক্তি উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতির মামলায় এস কে সুরের স্ত্রীর ২ বছরের কারাদণ্ড গাজীপুর জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত শুরু আসিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান: এনসিপি বলল দুদকের দলীয়করণ স্পষ্ট

সড়কমন্ত্রী দুর্নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৬ Time View
Update : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

চাঁদাবাজিকে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে লেনদেন’ বলে সড়ক, রেল ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম দুর্নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গতকাল শুক্রবার বিবৃতিতে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পরিবহনমন্ত্রী চাঁদাবাজির যে সংজ্ঞা দাঁড় করিয়েছেন, তা মন্ত্রিপরিষদের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের বিপরীত।

গত বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, ‘সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করে।’

টিআইবি জানায়, নির্বাচনী ইশতেহার ও সরকারপ্রধানের জাতির উদ্দেশে ভাষণে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের অঙ্গীকার করা হয়েছে। এর ৪৮ ঘণ্টা পার না হতে মন্ত্রীর পরিবহন খাতের চাঁদাবাজি নিয়ে এ মন্তব্য হতাশাজনক। এর মাধ্যমে পরিবহনমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার ও সরকারপ্রধানের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে অবমূল্যায়ন করেছেন।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তিনি যেভাবে সড়ক ও পরিবহন খাতের চাঁদাবাজিকে ব্যাখ্যাসহ সমর্থন করেছেন, তাতে স্পষ্টত তিনি এই অনৈতিক ও যোগসাজশের দুর্নীতিকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মালিক ও শ্রমিক কল্যাণকে এখানে বৈধতার অজুহাত বা ঢাল হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। এটা দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যকে চলমান রাখার শামিল।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, সড়কে চাঁদাবাজিকে সমঝোতার নামে গ্রহণযোগ্যতা দেওয়া হলে বিআরটিএ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, বিচার, পাসপোর্ট, ভূমি, প্রশাসন ইত্যাদি সেবা খাতেও একই ত্বত্ত্বের প্রয়োগ ও প্রসার কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে? সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে পরিবহনমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান এবং এর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, কর্তৃত্ববাদ পতনের পর চাঁদাবাজি, দলবাজি, দখলবাজির হাতবদল হয়েছে। এতে সন্দেহ নেই, মন্ত্রীর এ অবস্থান বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়।

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটি বলছে, সড়কে চাঁদাবাজি চলতে থাকায় বাস ভাড়া ও পণ্যমূল্য বাড়ছে, এর চাপ নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর পড়ছে। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন মন্ত্রীর বক্তব্যে দেশবাসী হতাশ হয়েছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের বাস ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। পণ্যের দাম বাড়া সরকারকে বিব্রত করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category