• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
সচিব হতে ৩৩ কোটি টাকার চুক্তি হতে পারলে সুদ দিবেন ৮৬ কোটি টাকা ৬ তলা বাড়ি সহ ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা রাসেল কবির সনদ জালিয়াতি থেকে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তবুও বহাল তবিয়তে মালা খান! দুর্নীতির অভিযোগে বদলি কর্মকর্তার পক্ষে ফেসবুক পোস্ট, নিজেও ‘একই অপরাধ’ করার দাবি খাদ্য কর্মকর্তার দুর্নীতি রুখতে নয়া ভাবনা, জি–রামজি প্রকল্পে ফেস রেকগনিশন স্থানীয় সরকারে ১৭ বছরের দুর্নীতির অনুসন্ধানে ৭ সদস্যের কমিটি টেন্ডার না পেয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে মিলছে ভিন্ন চিত্র বিপিসি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ও তার স্ত্রীর শত কোটি টাকার সম্পদ, ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি খুঁজতে সাত সদস্যের কমিটি এলজিইডিতে ‘৬ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি’: পিরোজপুরে বন্ধ উন্নয়নকাজ শুরু হবে ঈদের পর

প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন-এর ঘুষের ভিডিও প্রকাশ

ফারহান আব্দুল্লাহ / ৬৬৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

গণপূর্ত ই-এম বিভাগ-৩ ঘুষের হাট
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ নতুন কোন বিষয় নয়। ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে বিসিএস ডিগ্রীধারী প্রকৌশলী সকলেই একই সূত্রে গাঁথা। একজন ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী তিনি প্রকাশ্যে ঘুষ নেন ঠিকাদারের নিকট থেকে অথচ তার কোন বিচার হয় না।

ঠিকাদার ও প্রকৌশলী দু’জনই সমান অপরাধী। কারণ ঠিকাদার ঘুষের বিনিময়ে কাজ না করেই বিল তুলে নেয় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সহায়তায়।

গণপূর্ত ই এম-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস, এম, ময়নুল হক উক্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী খালেক আকন্দ ঠিকাদারের নিকট থেকে ১০ (দশ) লক্ষ টাকার ঘুষ গ্রহণ করেন যার একাধিক ভিডিও দ্য ফিন্যান্স টুডে’র হাতে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে একজন ঠিকাদার উক্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর রুমে গিয়ে ঠিকাদারের নিজস্ব লোক দিয়ে গোপনে ভিডিও করেন। একটি ভিডিওতে বলতে শোন যাচ্ছে, ‘স্যার আপনি ১০ লাখ চেয়েছিলেন ১০ লাখ-ই দিয়েছি স্যার।’ এখানেতো আহামরি কোন টাকার মাল নাই স্যার। মালটি আপনি পৌঁছে দিয়েন স্যার। এখানে কাকে কি দিয়েছি তা তো বলে লাভ নাই স্যার। আপনি তো আপনারটা পুরোপুরি বুঝে পেয়েছেন স্যার।

 

এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দিয়ে দ্য ফিন্যান্স টুডে’র সম্পাদককে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য হুমকি প্রদান করে।
বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আসার পর প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর সাথে ঠিকাদারের সমঝোতা হয়।

এ প্রসঙ্গে ই-এম বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস, এম, ময়নুল হক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে এড়িয়ে যান। সংশ্লিষ্ট ই-এম বিভাগ-৩ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হুমায়রাকে ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায় নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category