• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
দুর্নীতির অভিযোগের পর ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ ১১ অক্টোবর দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও টিআইবিকে এক হয়ে কাজ করতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সরেজমিন পরিদর্শনের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক বিআরটিএর ইকুরিয়া কার্যালয়ে দুদকের অভিযান যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের সম্পদ নিয়ে এফবিআইয়ের প্রতিবেদন দুদকে এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা: আরও ৮ আসামি রিমান্ডে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে নয়জনের পদত্যাগ ডিএনসিসির ওয়াকিটকি ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকের অনুসন্ধান শুরু

দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

স্টাফ রিপোর্টার / ২৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

সরকারের ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দে ‘অনিয়ম করার’ অভিযোগে দুদকের করা ঊনিশ বছর আগের ১৫টি মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

একইসঙ্গে এসব মামলায় মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় দেন।

২০০৭ সালের মার্চে সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করে দুদক।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি সাজানো দরপত্র ডেকে অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রির অভিযোগ আনা হয় মামলায়।

মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “১৫ মামলায় সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে বিচার চলাকালে তিন আসামি মারা গেছেন। রায়ে আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি।”

২০০৭ সালে ২০ সেপ্টেম্বর এই মামলার অভিযোগপত্র দেবোয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, “সাজানো দরপত্রের মাধ্যমে এবং প্রকৃত দামের চেয়ে কম দাম দেখিয়ে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি করে আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। এতে সরকারের ক্ষতি হয়েছে ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা।”

অভিযোগপত্রে আরও ১৪ আসামির নাম যুক্ত হয়। তাদের বিরুদ্ধে ‘সুবিধা আদায়ের’ অভিযোগ তোলা হয়। পরবর্তীতে আসামি মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

এদিকে মালয়েশিয়ায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এখন ‘অনেকটা সুস্থ বোধ করছেন’ বলে কিছুদিন আগে জানিয়েছিল তার তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস।

গত ১১ মার্চ ইফতারের সময়ে হঠাৎ জ্ঞান হারালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। নিউরো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম দ্রুত মির্জা আব্বাসের মতিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।

তার পর ১৫ মার্চ তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হসপিটালে নেওয়া হয়। সেখানে টানা একমাসের চিকিৎসায় অনেকটাই সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি।

পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ফিজিও থেরাপির জন্য মির্জা আব্বাসকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category